কমেছে কাঁচামরিচের দাম

বৃহস্পতিবারও রাজধানীতে কাঁচা মরিচের কেজি বিক্রি হয়েছে ২০০ টাকা করে। আর  শুক্রবার বাজার ভেদে বিক্রি হচ্ছে ১০০ থেকে ১২০ টাকায়।

ব্যবসায়ীরা জানান, ঈদের জন্য কাঁচামরিচ বহনকারী যানবাহন রাজধানীতে আসতে পারেনি। সরবরাহ কম ছিল। তাই দাম বেশি ছিল। আবার যানবাহন আসায় কাঁচামরিচের  সরবরাহ বেড়েছে। ফলে দামও কমেছে।

যাত্রাবাড়ী আড়তের পাশে একটি দোকান থেকে কাচাঁমরিচ কিনছিলেন শেখ জসিম উদ্দিন। তিনি বলেন, গতকাল কাঁচামরিচ কিনতে এসে দাম শুনে ফিরে যাই। একটু দাম কমেছে। তাই  কিনেছি। ২৫০গ্রাম কিনেছি ৩০ টাকায়। গতকাল চেয়েছিল ৫০ টাকা।

যাত্রাবাড়ীর কাঁচা বাজারে খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, করল্লা প্রতি কেজি বিক্রি হচ্ছে ২৫ টাকায়, পাকা টমেটোর কেজি ১০০ টাকা। কলমি শাকের আটি ৫ টাকা, লাল শাকের আটি ১০ টাকা, তিন আটি ২৫ টাকা। পুই শাকের আটি আকার ভেদে ১৫ থেকে ২৫ টাকা, দেশি পেঁয়াজের পাল্লা (৫ কেজি) ২৫০ টাকা। আমদানি করা পেঁয়াজের পাল্লা ১৩০ থেকে ১৪০ টাকা, রসুনের কেজি বড়টা ৬০ টাকা, বরবটি কেজি ৫০ টাকা, ঝিঙ্গা কেজি ৩০ টাকা, লাউ আকার ভেদে প্রতিটি ৩০ থেকে ৪০ টাকা, শসার কেজি ৪০ টাকা, পটল ৪০ টাকা, বেগুন ৪০ থেকে ৫০ টাকা, কচু   কেজি ৩০ টাকা, আমড়ার কেজি আকার ভেদে ৪০ থেকে ৫০ টাকা করে বিক্রি হচ্ছে। লেবুর হালি আকার ভেদে ২০ থেকে ৩০ টাকা করে বিক্রি হচ্ছে।

রাজধানীর বাজারগুলোতে মাছের সরবরাহ কম। ফলে বাড়তি দামে বিক্রি হচ্ছে ইলিশসহ সব ধরনের মাছ। ব্রয়লার মুরগির দাম বেড়েছে কেজি প্রতি ১০ টাকা। ঈদের আগে ১৩০ টাকা করে কেজি বিক্রি হলেও  বিক্রি হচ্ছে ১৪০ টাকা কেজি। গরুর মাংস বিক্রি হচ্ছে ৫০০ টাকা করে কেজি। ঈদের আগের দিন বিক্রি হয়েছে ৫২০ টাকা করে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *